, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫, ২৭ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চৌদ্দগ্রামে সন্ত্রাসী হামলা ও দোকান লুটপাটের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়িতে হামলা, অভিযোগ শিবিরের বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রামের কালিকাপুর ইউনিয়নের বদরপুরে মাদক বিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে ৪০ দিন জামায়াতে নামাজ পড়ে সাইকেল ও শিক্ষা উপকরণ পেল ১০৪ বয়স্ক-কিশোররা চৌদ্দগ্রামে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শাকতলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সাংসদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল গাড়িবহরের টাকার উৎস জানালেন সারজিস আলম কুমিল্লায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত ১৪৪ ধারা ভেঙে শহীদ মিনারে বিএনপির নেতাকর্মীরা স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে কর্মীদের মাঝে হাতাহাতি, আহত ১৫

গাড়িবহরের টাকার উৎস জানালেন সারজিস আলম

  • প্রকাশের সময় : ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
  • ১৭ পড়া হয়েছে
শতাধিক গাড়ির বহর নিয়ে পঞ্চগড়ে নিজ এলাকায় যাওয়ার বিষয়ে এবার ব্যাখ্যা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। তিনি বলেন, অর্ধেকের বেশি গাড়ি তার আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা নিয়েছিলেন। বাকি অর্ধশত গাড়ির খরচ তার পরিবার বহন করেছে। আজ মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে এসব কথা জানান তিনি।

এর আগে গতকাল সোমবার ঢাকা থেকে উড়োজাহাজে সৈয়দপুর যান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। সৈয়দপুর থেকে তিনি সড়কপথে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ যান। দেবীগঞ্জ থেকে শতাধিক গাড়ির বহর নিয়ে তিনি জেলার বোদা, পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী উপজেলা সফর করেন। রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব পাওয়ার পর বাড়ি ফেরার পথে সারজিস আলমের এই ‘শোডাউন’ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

মঙ্গলবার এই শোডউন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা। তার সেই পোস্টের একটি দীর্ঘ জবাব দিয়েছেন সারজিস আলম। সেখানে গাড়িবহরের অর্থের উৎস সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, ‘আমার এলাকায় ফেরার সময় এত গাড়ি, এত মানুষ; তাদের আকাঙ্ক্ষা এবং ভালোবাসা নিয়ে আমার জন্য অপেক্ষা করবে এবং আমাকে সঙ্গ দেবে, এটা আমিও কল্পনা করিনি।

তিনি বলেন, ‘আমার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব এবং জেলার অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী তাদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে অর্ধেকের বেশি গাড়ি নিয়ে গিয়েছিলেন। যেগুলোর ব্যয় আমাদের বহন করতে হয়নি। বাকি প্রায় ৫০টার মতো গাড়ির ৬০০০ করে যে তিন লাখ টাকা ভাড়া দিতে হয়েছে সেই টাকা দেওয়ার সামর্থ্য আমার পরিবারের আরো ৫০ বছর আগেও ছিল। এবং আমি বিশ্বাস করি অন্য কেউ না; শুধু আমার দাদা আমার জন্য যতটুকু রেখে গিয়েছেন, সেটা দিয়ে আমি আমার ইলেকশনও করে ফেলতে পারব ইনশাআল্লাহ।’

চৌদ্দগ্রামে সন্ত্রাসী হামলা ও দোকান লুটপাটের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

গাড়িবহরের টাকার উৎস জানালেন সারজিস আলম

প্রকাশের সময় : ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
শতাধিক গাড়ির বহর নিয়ে পঞ্চগড়ে নিজ এলাকায় যাওয়ার বিষয়ে এবার ব্যাখ্যা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। তিনি বলেন, অর্ধেকের বেশি গাড়ি তার আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা নিয়েছিলেন। বাকি অর্ধশত গাড়ির খরচ তার পরিবার বহন করেছে। আজ মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে এসব কথা জানান তিনি।

এর আগে গতকাল সোমবার ঢাকা থেকে উড়োজাহাজে সৈয়দপুর যান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। সৈয়দপুর থেকে তিনি সড়কপথে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ যান। দেবীগঞ্জ থেকে শতাধিক গাড়ির বহর নিয়ে তিনি জেলার বোদা, পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী উপজেলা সফর করেন। রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব পাওয়ার পর বাড়ি ফেরার পথে সারজিস আলমের এই ‘শোডাউন’ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

মঙ্গলবার এই শোডউন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা। তার সেই পোস্টের একটি দীর্ঘ জবাব দিয়েছেন সারজিস আলম। সেখানে গাড়িবহরের অর্থের উৎস সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, ‘আমার এলাকায় ফেরার সময় এত গাড়ি, এত মানুষ; তাদের আকাঙ্ক্ষা এবং ভালোবাসা নিয়ে আমার জন্য অপেক্ষা করবে এবং আমাকে সঙ্গ দেবে, এটা আমিও কল্পনা করিনি।

তিনি বলেন, ‘আমার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব এবং জেলার অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী তাদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে অর্ধেকের বেশি গাড়ি নিয়ে গিয়েছিলেন। যেগুলোর ব্যয় আমাদের বহন করতে হয়নি। বাকি প্রায় ৫০টার মতো গাড়ির ৬০০০ করে যে তিন লাখ টাকা ভাড়া দিতে হয়েছে সেই টাকা দেওয়ার সামর্থ্য আমার পরিবারের আরো ৫০ বছর আগেও ছিল। এবং আমি বিশ্বাস করি অন্য কেউ না; শুধু আমার দাদা আমার জন্য যতটুকু রেখে গিয়েছেন, সেটা দিয়ে আমি আমার ইলেকশনও করে ফেলতে পারব ইনশাআল্লাহ।’